রিফ্রেশ করলে কি আসলেই কম্পিউটার ফাস্ট হয়?

উইন্ডোজ ইউজারদের দেখা যায় কম্পিউটার চালু হওয়া মাত্রই ডেস্কটপে মাউসের রাইট ক্লিক করে ১০-২০ বার শুধু রিফ্রেশই করতে থাকে। তাদের ধারণা, এতে পিসির স্পিড বৃদ্ধি পায়!
কিন্তু জনাব! দুঃখের সাথে জানাতে হচ্ছে, এটি আগাগোড়া একটা ভ্রান্ত ধারণা! এই রিফ্রেশের কোনও ক্ষমতাই নেই আপনার পিসির স্পিড বাড়ানোর। এক-হাজারবার রিফ্রেশ করলেও বিন্দুমাত্র বাড়বে না স্পিড। বরং কমে যেতে পারে!
তাহলে এর কাজ কী?
এর কাজ হল আইকনগুলির প্রদর্শন ঠিকঠাক করা। অর্থাৎ আপনি যদি উদাহরণস্বরূপ ডেস্কটপে কোনও পরিবর্তন করে থাকেন এবং রেজাল্ট দেখতে না পান তবেই রিফ্রেশ করতে হবে এবং পরিবর্তনটা দেখা যাবে। বেশি রিফ্রেশ করলে বরং কম্পিউটার স্লো হয়ে যেতে পারে।
কীভাবে?
প্রত্যেকবার রিফ্রেশ করার সময় আপনার উইন্ডোতে থাকা সকল আইকন এবং ফাইলগুলো রিলোড হয়। এতে কম্পিউটিং পাওয়ার ক্ষয় হয়। মনে করুন, আপনার পিসির একটি ফোল্ডারে ৫০০টি ভিডিও ফাইল রয়েছে, এখন আপনি যখন ফোল্ডারটি ওপেন করবেন, তখন ভিডিও ফাইলগুলোর থ্যাম্বনেইল লোড শেষ হয়ে ফোল্ডারটি রেডি হতে একটু সময় লাগবে। এখন আপনি যদি সেখানে রিফ্রেশ করে দেন, তো ফাইলগুলোর থ্যাম্বনেইল পুনরায় রিলোড হবে, ফলে উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার স্লো হয়ে পড়বে। কিবোর্ডে F5 বাটনও সেম কাজ করে।
অনেকে আবার কম্যান্ড এ TREE লিখে পিসির স্পিড বাড়ানোর চেষ্টা করেন। এটিরও ক্ষমতা নেই স্পিড বাড়ানোর।
তাহলে কীভাবে স্পিড বাড়াবেন?
পিসির স্পিড বাড়াতে এর হার্ডওয়্যারগুলো আপগ্রেডের বিকল্প নেই। পুরো সিস্টেম আপগ্রেড করা না গেলে শুধু প্রসেসর ও র‍্যাম আপগ্রেড করুন আর সাথে একটা SSD লাগিয়ে নিন। ঝড়ের গতি পাবেন আশা করি। সূত্র : ইন্টারনেট।

Subscribe For Latest Updates!

Get higher-study abroad, visa & migration-related latest updates from eGal!

Invalid email address
We promise not to spam you. You can unsubscribe at any time.

Heamel Shaha

Patient-focused and well-organized student nurse. Expertise in compassionate patient care and delivering nursing services while maintaining the code of ethics. Proficient in recommending changes in patient care through expertise in observation of patient needs. Ability to maintain a positive attitude in stressful situations.

Leave a Reply

Your email address will not be published.