জার্মানিতে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং : পর্ব ২.২

আচ্ছা, এমন কেউ কি আছে, যে নিকোলা তেসলা (Nikola Tesla) কে চেনে না? কিংবা জেম্স ওয়াট (James Watt)? বা রুডোলফ ডিজেল (Rudolf Diesel)? আবার, জর্জ স্টিফেনসন (George Stephenson)? অথবা গুস্তাফ দালেন (Gustaf Dalén)? এমন মানুষ মনে হয় পাওয়া মুশকিলই হবে বটে! কারণ, তাদের হাতেই তো গড়ে উঠেছে বর্তমান পৃথিবীটা!

নিকোলা তেসলা, অস্ট্রিয়ান-আমেরিকান এই বিজ্ঞানী একাই পুরো বিশ্বের আবিষ্কারগুলোর মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছেন একমাত্র চলতড়িৎ আবিষ্কারের মাধ্যমে। একাধারে রেডিওর জনকও তিনি। শুধু তাই না, তার আছে  প্রায় ৩০০’র কাছাকাছি বিভিন্ন পেটেন্ট! তারপর, স্কটিশ-বিজ্ঞানী জেম্স ওয়াট হলেন স্টিম ইঞ্জিনের আবিষ্কারক।

জার্মান-বিজ্ঞানী রুডোলফ ডিজেল হলেন, ডিজেল ইঞ্জিনের আবিষ্কারক। ব্রিটিশ-বিজ্ঞানী জর্জ স্টিফেনসন রেলওয়ের আবিষ্কারক। সুইডিশ-বিজ্ঞানী গুস্তাফ দালেন হলেন অটোমেটিক রেগুলেটরের আবিষ্কারক। এ রকম আরও অনেক বিজ্ঞানী আছেন, যাদের বিস্ময় আবিষ্কারে বদলে গেছে গোটা দুনিয়া! আর এসবের মধ্যে সব থেকে আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, উপরে আলোচিত বিজ্ঞানীরাসহ অধিকাংশ বিজ্ঞানীই ছিলেন ‘মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার’… কি আশ্চর্য লাগে!? আপনি হয়তো আরও জেনে অবাক হবেন, চতুর্থ বিপ্লবে শিল্পায়নের এই যুগে সবচেয়ে আলোচিত আর সম্ভাবনাময় প্রকৌশল পেশার নাম ‘মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং’। ধারণা করা হয়ে থাকে, অদূর ভবিষ্যতে কম্পিউটারকেন্দ্রিক দুনিয়াতে অটোমেটিক অটোমেশন, ওয়্যারলেস কন্ট্রোলের মতো অভিনব সব প্রযুক্তি আসতে চলেছে সম্ভাবনাময় মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের হাত ধরে!

ইতিহাস

প্রাচীনকাল থেকে বা মধ্যযুগীয় বিজ্ঞানীদের মাধ্যমে সারাবিশ্বে যন্ত্রপ্রকৌশল বা যন্ত্রকৌশলের অনেক ধরণের প্রয়োগ দেখা যায়। প্রাচীন গ্রিক আর্কিমিডিস এবং আলেকজেন্দ্রিয়ার বীরদের কাজে বলবিদ্যার সার্থক প্রয়োগের ইতিহাস তো সবারই জানা।

তবে সবচেয়ে পুরনো তত্ত্ব থেকে জানা যায়, চীনের ‘জেং হেং’ একটি জলঘড়ি ও একটি সিস্টোমিটার আবিষ্কার করেন। তিনি জন্মগ্রহণ করেন ৭৮ খ্রিষ্টাব্দে এবং মারা যান ১৩৯ খ্রিষ্টাব্দে। আবার ২০০ খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করা ‘মা জুন’ ডিফারেন্সিয়াল গিয়ারের আকৃতি আবিষ্কার করেন। তিনি মারা যান ২৬৫ খ্রিষ্টাব্দে। এ থেকে বলা যায়, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জন্মস্থান প্রাচীন চীনে।

পাঠ্যসূচি

সাধারণত যন্ত্রকৌশলের পাঠ্যসূচি প্রত্যেক দেশের মান নিয়ন্ত্রণের জন্য স্ব-স্ব মাননিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা কর্তৃক সে দেশের উপযোগী এবং যন্ত্রপ্রকৌশলী হবার জন্য যে মৌলিক বিষয়গুলো থাকা দরকার তা নির্ধারণ করে দিয়ে থাকে। তবে একদম মৌলিক বিষয়গুলি হলো :

  • স্থিতি ও গতিবিদ্যা
  • পদার্থের গঠন ও দৃঢ়তা
  • পরিমাপ ও ইন্সট্রুমেন্টেশন
  • তাপগতিবিদ্যা, তাপের প্রবাহ, শক্তির রূপান্তর
  • শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা
  • প্রবাহী বলবিদ্যা (Fluid Mechanics) ও প্রবাহী গতিবিদ্যা (Fluid Dynamics)
  • উৎপাদন কৌশল ও প্রযুক্তি
  • তরল গতিবিজ্ঞান (Hydraulics) ও বায়ু গতিবিজ্ঞান (Pneumatics)
  • গণিত
  • প্রকৌশল পরিকল্পনা (Engineering design)
  • বিদ্যুৎ উৎপাদন কৌশল
  • প্রকৌশল ব্যবস্থাপনা (Engineering Management)
  • মেকাট্রনিক্স ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (Control System)
  • মেটাল কাটিং (Machining,Macro, Micro, Nano level )
  • মোটর যান নির্মাণ (Automobile)
  • কম্পিউটার এইডেড ডিজাইন এবং এনালাইসিস
  • ড্রাফটিং (Drafting), (CAD), (CAM)

জার্মানিতে যন্ত্রকৌশল পড়াশোনা সাধারণত দুই ভাগে বিভক্ত। তত্ত্বীয় যন্ত্রকৌশল এবং গবেষণালব্ধ যন্ত্রকৌশল। এর মধ্যে গবেষণামূলক যন্ত্রকৌশল নিয়ে প্রকৌশল পড়াশোনা তুলনামূলক কঠিন। ডয়েচেভেলের তথ্যমতে, তত্ত্বীয় প্রকৌশলীদের তুলনায় গবেষণালব্ধ প্রকৌশলীরা সাধারণত গড় বার্ষিক আয়ে এগিয়ে থাকেন। গবেষণামূলক যন্ত্র-প্রকৌশল সাধারণত Technical University (TU)-গুলিতে পড়ানো হয়ে থাকে এবং তত্ত্বীয় প্রকৌশল পড়ানো হয়ে থাকে Applied Science (FH) বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে।

জার্মানিতে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের গুরুত্ব

আপনি হয়তো জেনে অবাক হবেন, মেকানিক্যাল বা প্ল্যান্ট ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরকে জার্মানির ‘ব্যাক-বোন’ বা মেরুদণ্ড বলা হয়ে থাকে। আর যন্ত্রকৌশল খাত হচ্ছে জার্মানির চাকরির বাজারের বড় একটা অংশ জুড়ে। প্রকৌশল পেশা হিসেবে এটির স্থানও প্রায় শীর্ষে। কারণ জার্মানির উৎপাদনখাতের তালিকা এতো বড় যা আপনার ধারণারও বাইরে! দেশটির আছে অটোমোটিভ, এয়ারলাইন, ফুটওয়্যার, ইলেকট্রনিক, ফুড, কেমিক্যাল, ইন্ডাস্ট্রিয়াল মেশিনারি, নন-ফেরাস, ফার্মাসিউটিক্যাল, ব্রডকাস্টিং, অটোমোবাইল পার্টস, কমার্শিয়াল ভেহিকেল, রেলওয়ে, ডিফেন্স, এরোস্পেস, মেডিকেল ইক্যুইপমেন্ট, হাউজহোল্ড ইলেক্ট্রনিক্স, বেভারেজ, মেরিন, বিল্ডিং চেইন ইন্ডাস্ট্রিসহ আরও অনেক! যেগুলোর নাম হয়তো এই এক ব্লগপোস্টে বলে শেষ করা যাবে না। আর এজন্যই হয়তো জার্মানিকে বলা হয়ে থাকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের স্বর্গ!

জার্মানিতে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের গড় আয়

একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের গড় বার্ষিক আয় সম্পূর্ণ নির্ভর করে তার অভিজ্ঞতার ওপর। যে যত বেশি অভিজ্ঞ হবে, তার গড় আয়ও ততটাই বৃদ্ধি পাবে। তবে মাথায় রাখতে হবে, এখানে রিলেটেড জব এক্সপেরিয়েন্সের কথা বলা হচ্ছে। কেউ যদি ওয়েটার বা ডিশ ক্লিনারের মতো কাজ করার পর নিজেকে এক্সপেরিয়েন্সড পার্সন ভাবেন, তবে সেটা নিতান্ত ভুল ধারণা। অবশ্য একদম সাধারণ হিসেব মতে, ব্যাচেলর্স ডিগ্রিধারী একজন ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েট মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার সাধারণত বছরে গড়ে ৪৬ হাজার ৩৯১ ইউরো আয় করে থাকে। আবার মাস্টার্স ডিগ্রিধারী ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েট মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ার সাধারণত বছরে গড়ে ৪৮ হাজার ৭৪৯ ইউরো আয় করে থাকে। অথবা কেউ যদি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ‘Ausbildung’ করে থাকেন, তিনি বছরে গড়ে ৩০,০০০-৩৬,০০০ ইউরো পর্যন্ত আয় করে থাকেন। আর শাখাভেদে হিসাব করলে…

> অটোমোটিভ ইঞ্জিনিয়ারিং (Fahrzeugtechnik) – ৫০,৮০৯ ইউরো

> মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (Mechaktronik) – ৫০,৭৭৮ ইউরো

> অটোমেশন টেকনোলজি (Automatisierrungstechnik) – ৪৮,৩৬০ ইউরো

> কোয়ালিটি অ্যান্ড প্রসেস ম্যানেজমেন্ট (Qualitäts und Prozess Management) – ৪৮,৩৩৩ ইউরো

 

আবার যদি স্টেট ভেদে ধরা হয়; (এক্সপেরিয়েন্স সহ)

  1. North Rhine-Westphalia – ৬০,৮৮৮ ইউরো
  2. Baden-Württemberg – ৬০,৩৮৪ ইউরো
  3. Bavaria – ৫৮,৭৪০ ইউরো
  4. Bremen – ৫৮,৩৯২ ইউরো
  5. Saarland – ৫৮, ২৬০ ইউরো
  6. Hesse – ৫৬, ৩৮৮ ইউরো
  7. Rhineland-Palatinate – ৫৫,৪১৬ ইউরো
  8. Lower Saxony – ৫৫,২০০ ইউরো
  9. Hamburg – ৫৪,৯০০ ইউরো
  10. Schleswig-Holstein – ৫২,২৮৪ ইউরো
  11. Berlin – ৫০,৭৮৪ ইউরো
  12. Saxony-Anhalt – ৪৪,৯৭৬ ইউরো
  13. Thuringia – ৪২,৭৮০ ইউরো
  14. Saxony – ৪২,৪০৮ ইউরো
  15. Brandenburg – ৪১,৬১৬ ইউরো
  16. Mecklenburg-Vorpommern – ৪০,৬৮০ ইউরো
জার্মানিতে উচ্চশিক্ষায় মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং

প্রথমে বলে নেই, জার্মানিতে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বেশ কিছু সাব-ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে গঠিত, যা একটি মেকানিক্যাল ফ্যাকাল্টি বা মেকানিক্যাল স্কুল দ্বারা পরিচালিত। এসব ফ্যাকাল্টি বা স্কুলের যেকোনো একটি ডিপার্টমেন্টের ডিগ্রিই মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি হিসেবে গণ্য করা হয়ে থাকে। যেমন : কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের মেকানিক্যাল ফ্যাকাল্টির মধ্যে যদি অটোমোবাইল বা মেকাট্রনিক্স বা ম্যানুফ্যাকচারিং বা পিউর মেকানিক্যাল নামে ডিপার্টমেন্টগুলি থাকে, তবে প্রত্যেকটা ডিগ্রিই মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং হিসেবে গণ্য করা হয়। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং কিছু শাখায় বিভক্ত।

জার্মানিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে কোনো ধরনের র‍্যাংকিং করা হয় না। তবে সাবজেক্টের প্রসপারিটি নিয়ে অল্প কিছু র‍্যাংকিং হয়ে থাকে, সেটার মূল্যও একদম নগণ্য। এ জন্য সাবজেক্টের প্রস্পারিটির উপর ভিত্তি করে, নিচে ইউনিভার্সিটির লিস্ট দেওয়া হলো :

ভর্তির জন্য  কী কী দরকার?

প্রথমেই মাথায় রাখতে হবে, মেকানিক্যাল সেকশন জার্মানির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর। এখানে ভর্তির সুযোগ পাওয়া কিছুটা কঠিন, তবে অসম্ভব নয়। জার্মান ভাষা শিখুন, কমেপক্ষে B2 পর্যন্ত। কারণ কোর্স স্ট্রাকচার ইংরেজিতে হলেও, জার্মানিতে যাওয়ার পর জার্মান ভাষা না জানায় সহজে ইন্টার্নশিপ পাবেন না। ফলশ্রুতিতে, কাজ খোঁজাটা অনেক কঠিন হয়ে যাবে। জার্মান কোর্সে গেলেও IELTS করুন এবং Band 6.5 মিনিমাম রাখুন। এতে ভিসা পেতে সুবিধা হবে। এসব হলো প্রাথমিক যোগ্যতা।

এখন আসি মূল বিষয়ে। জার্মান ওয়েবসাইটগুলিতে অনেক ক্ষেত্রেই উল্লেখ থাকে American Style CGPA 2.8 or 3.0 or 3.2 পেলেই এপ্লাই করা যায়। অর্থাৎ, আপনি আবেদনের যোগ্যতা পাবেন এই রেজাল্টে। সুযোগ করে নিতে চাইলে এর থেকেও অনেক ভাল ফলাফল প্রয়োজন। টার্গেট রাখুন কমপক্ষে CGPA 3.3 রাখার। মাস্টার্স করতে চাইলে, অবশ্যই  আপনার  থিসিস  পাবলিশ করুন বা পাবলিশ করতে দিন। পাবলিশ করা হলে মনুস্ক্রিপ্ট রাখুন এবং প্রপোজড হলে প্রমাণপত্র রাখুন। আর সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ, রিলেটেড ফিল্ডে এক্সপেরিয়েন্স রাখুন। যা এডমিশন এবং যাওয়ার পর পার্টটাইম জব খুঁজতে অনেক সুবিধা হবে।

আর এক্সট্রা কারিকুলারের বিষয়ে বলতে গেলে, যত এক্টিভিটি করবেন তত লাভ। আপনার SOP তে খুব সহজেই এগুলার বর্ণনা দিতে পারবেন। এতে আপনার রেজিউম যেমন ভারি হবে, আপনার SOP ও অনেক ভারি হবে।

এবার আসি ECTS এর বিষয়ে, অবশ্যই যেই ভার্সিটি তে আপনি আবেদন করবেন, তাদের ফ্যাকাল্টি মোতাবেক ECTS Conversion করে জমা দিবেন। সাধারণত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮০-১২০ ECTS চেয়ে থাকে।

এখন একটা এক্সট্রা সাজেশনে আসি, চেষ্টা করুন GRE দেওয়ার। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে ম্যান্ডেটরি না হলেও আপনার অ্যাডমিশন সিকারের লিস্টে অনেকটাই উপরে রাখবে এবং খুব সহজেই আপনি অফার লেটার পেয়ে যাবেন।

সবশেষে, অফার লেটার পাওয়ার পর eGal Team-কে মিষ্টি খাওয়াতে কিন্তু ভুলবেন না!

অনেক ধন্যবাদ পুরোটা পড়ার জন্য। আমার আরও লেখা পড়তে পারেন…

 

মৃন্ময় ভাইয়ের (eGal),

Sayra Samsia আপুর,

Radoan Ahmed ভাই এর,

References

  • Ahsan Hayat (2019). Mechanical Engineer Salary in Germany 2019/2020 | For Freshers & Senior Mechanical Engineers Germany. YouTube. Available at: https://www.youtube.com/watch?v=Qt4_wKtMqZA [Accessed 24 Nov. 2020].
  • Bharat in Germany (2018). Job Opportunities in Germany: Mechanical Engineering. YouTube. Available at: https://www.youtube.com/watch?v=1tYn9VjJGTQ&t=99s [Accessed 24 Nov. 2020].
  • CareerKi. (n.d.). CareerKi – ক্যারিয়ারের প্রতি ধাপে. [online] Available at: https://www.careerki.com/ [Accessed 24 Oct. 2020].
  • MS in Germany (2017). Top 10 Universities For Mechanical Engineering In Germany (2018) – MS in GermanyTM. YouTube. Available at: https://www.youtube.com/watch?v=aTdKIdH6TCc&t=19s [Accessed 24 Nov. 2020].
  • Payscale.com. (2020). Master of Science (MS), Mechatronics Salary in Germany | PayScale. [online] Available at: https://www.payscale.com/research/DE/Degree=Master_of_Science_(MS)%2C_Mechatronics/Salary [Accessed 24 Nov. 2020].
  • Thefamouspeople.com. (2020). List of Famous Mechanical Engineers – Biographies, Timelines, Trivia &  Life History. [online] Available at: https://www.thefamouspeople.com/mechanical-engineers.php [Accessed 10 Jan. 2020].
  • Wikipedia. (2020). প্রধান পাতা. [online] Available at: https://bn.wikipedia.org/wiki/.

Subscribe For Latest Updates!

Get higher-study abroad, visa & migration-related latest updates from eGal!

Invalid email address
We promise not to spam you. You can unsubscribe at any time.

2 thoughts on “জার্মানিতে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং : পর্ব ২.২

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *